সাধারণ বেটিং থেকে এক ধাপ উপরে উঠুন। bj app-এর ভিআইপি প্রোগ্রামে যোগ দিয়ে পান বিশেষ বোনাস, দ্রুত পেমেন্ট, ডেডিকেটেড সাপোর্ট এবং আরও অনেক কিছু।
প্রতিটি স্তরে উঠলে সুবিধা বাড়তে থাকে। যত বেশি খেলবেন, তত বেশি পুরস্কার পাবেন।
মাসিক বাজি: ৫,০০০+ টাকা
মাসিক বাজি: ২০,০০০+ টাকা
মাসিক বাজি: ৫০,০০০+ টাকা
মাসিক বাজি: ২,০০,০০০+ টাকা
অনেকেই মনে করেন ভিআইপি প্রোগ্রাম শুধু বড় বেটরদের জন্য। কিন্তু bj app-এ ব্যাপারটা একটু আলাদা। এখানে যেকোনো সক্রিয় সদস্যই ধীরে ধীরে উপরের স্তরে উঠতে পারেন। নিয়মিত খেলতে থাকলে পয়েন্ট জমা হয়, আর সেই পয়েন্টই আপনাকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যায়।
বাংলাদেশে অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে যারা ভিআইপি বলে শুধু বড় বোনাসের কথা বলে, কিন্তু বাস্তবে পাওয়া যায় না। bj app-এ বিষয়টা স্বচ্ছ – প্রতিটি স্তরের সুবিধা স্পষ্টভাবে লেখা, এবং সুবিধাগুলো সত্যিই পাওয়া যায়।
ভিআইপি স্তর প্রতি মাসে রিসেট হয় না। একবার গোল্ড বা প্লাটিনামে উঠলে পরের মাসেও সেই সুবিধা থাকবে, যতক্ষণ নির্ধারিত ন্যূনতম বাজির শর্ত পূরণ হয়।
প্রতি সপ্তাহে হারানো বাজির একটি অংশ ফেরত পাবেন। স্তর যত উঁচু, ক্যাশব্যাক তত বেশি।
ভিআইপি সদস্যদের উইথড্রয়াল সাধারণত ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে প্রসেস হয়।
প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড স্তরে একজন নির্দিষ্ট ম্যানেজার থাকেন যিনি সব সমস্যা সামলান।
প্রতি মাসে ভিআইপি সদস্যদের জন্য সারপ্রাইজ বোনাস ও ফ্রি বেট অফার থাকে।
বিশেষ ভিআইপি-অনলি টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার সুযোগ, যেখানে পুরস্কারের পরিমাণ বেশি।
ভিআইপি স্তরে সর্বোচ্চ বাজির সীমা বাড়ানো হয়, বড় ম্যাচে বড় বাজি রাখতে পারবেন।
গোল্ড ও উপরের স্তরের সদস্যরা সরাসরি অ্যাপে ম্যাচ লাইভ দেখতে পারবেন বিনামূল্যে।
ভিআইপি অ্যাকাউন্টে বাড়তি নিরাপত্তা স্তর এবং জালিয়াতি প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় থাকে।
জন্মদিনে বিশেষ বোনাস পাঠানো হয় সকল ভিআইপি সদস্যদের – কোনো শর্ত ছাড়াই।
bj app-এর ভিআইপি প্রোগ্রামটা পয়েন্টভিত্তিক। প্রতিবার বাজি ধরলে নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট অ্যাকাউন্টে যোগ হয়। এই পয়েন্ট জমা হলে স্তর বাড়ে, আর স্তর বাড়লে সুবিধাও বাড়ে।
বিষয়টা খুব সহজ। প্রতি ১০০ টাকার বাজিতে ১ পয়েন্ট পাবেন। ক্রিকেট বা ফুটবলের বড় ম্যাচে কখনো কখনো ডবল পয়েন্ট অফার থাকে। পয়েন্ট বোনাস টাকায়ও রূপান্তর করা যায়, সেক্ষেত্রে প্রতি ১০০ পয়েন্ট = ৫ টাকা বোনাস।
bj app-এ অ্যাকাউন্ট খুলুন। নিবন্ধনের সাথে সাথে সিলভার স্তরে শুরু হয়।
প্রতিটি বাজিতে পয়েন্ট জমা হয়। ড্যাশবোর্ডে সব সময় পয়েন্ট ব্যালেন্স দেখা যায়।
নির্ধারিত পয়েন্টে পৌঁছালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্তর বাড়বে এবং নোটিফিকেশন আসবে।
নতুন স্তরের সব সুবিধা তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাকাউন্টে সক্রিয় হয়ে যায়।
বাংলাদেশে স্পোর্টস বেটিংয়ের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। আর এই বাজারে bj app যে জায়গাটা তৈরি করেছে, তার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে তাদের ভিআইপি প্রোগ্রাম। শুধু বড় বেটর নয়, মধ্যম মানের নিয়মিত বেটরদের জন্যও এই প্রোগ্রাম বেশ কার্যকর।
ধরুন আপনি প্রতি সপ্তাহে মাত্র ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকার বাজি রাখেন। মাস শেষে এটি ৬,০০০ থেকে ৮,০০০ টাকায় দাঁড়াবে, যা সিলভার স্তরের জন্য যথেষ্ট। সিলভার স্তরেই ৫% ক্যাশব্যাক মানে সেই মাসে হারানো বাজির ৫% আপনি ফেরত পাচ্ছেন। মাসে যদি ২,০০০ টাকা হেরেও যান, তাহলে ১০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাওয়া মন্দ কী?
অনেকেই ভাবেন ক্যাশব্যাক মানে ব্যবহার করতে পারবেন না, শুধু বাজিতে লাগাতে হবে। bj app-এ ভিআইপি ক্যাশব্যাক বোনাসে সাধারণত মাত্র ১ গুণ ওয়েজারিং শর্ত থাকে, অর্থাৎ একবার বাজি লাগালেই উইথড্রয়াল করা যায়। এটা অন্য অনেক প্ল্যাটফর্মের তুলনায় অনেক বেশি সুবিধাজনক।
আইপিএল, বিশ্বকাপ বা বিপিএল মৌসুমে বেটিং করুন – এই সময় প্রতিদিন অনেক ম্যাচ থাকে এবং ডবল পয়েন্ট অফার আসে। মৌসুমের মাত্র দুই-তিন সপ্তাহে গোল্ড বা প্লাটিনামে পৌঁছানো সম্ভব।
লাইভ স্ট্রিমিং সুবিধাটা অনেকের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয়। গোল্ড এবং তার উপরের স্তরে বিনামূল্যে ম্যাচ দেখা যায় সরাসরি bj app-এর মধ্যেই। বাইরে থেকে স্ট্রিম খুঁজতে হয় না, অ্যাপের ভেতরেই ম্যাচ দেখতে দেখতে বাজি রাখা যায়। ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস – সব বড় ম্যাচই কভার হয়।
ডায়মন্ড স্তরের কথা আলাদাভাবে বলতে হয়। এই স্তরে পৌঁছালে bj app একজন ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার দেয় যিনি সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ বা ফোনে যোগাযোগ রাখেন। কোনো সমস্যা হলে সাধারণ লাইভ চ্যাটে যাওয়ার দরকার নেই, সরাসরি ম্যানেজারকে জানালেই হয়। এই স্তরে উইথড্রয়ালের কোনো দৈনিক সীমা নেই, যা বড় বেটরদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
অনেকে জিজ্ঞেস করেন একবার স্তর নামলে কী হয়। bj app-এর নিয়ম অনুযায়ী, কোনো মাসে নির্ধারিত বাজির শর্ত পূরণ না হলে পরের মাসে এক স্তর নামতে পারেন। তবে পরপর তিন মাসে স্তর নামার সুযোগ নেই, অর্থাৎ একটু কম খেললেও সরাসরি শুরুতে ফেরত যেতে হয় না।
পেমেন্টের ক্ষেত্রে ভিআইপি সদস্যদের জন্য bKash, Nagad ও Rocket তিনটিতেই অগ্রাধিকার ট্রান্সফার আছে। সাধারণত সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টার মধ্যে যেকোনো উইথড্রয়াল অনুরোধ ১৫ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়। ডায়মন্ড স্তরে এটা ২৪ ঘণ্টাই প্রযোজ্য।
সামগ্রিকভাবে, bj app-এর ভিআইপি প্রোগ্রামটা বাংলাদেশের বেটিং বাজারে সত্যিকারের মূল্য দেয়। এটা শুধু কাগজে-কলমে সুবিধার লম্বা তালিকা নয়, বাস্তবে পাওয়া যায় এমন সুবিধার একটি সুচিন্তিত সংকলন। নিয়মিত বেটর হলে এই প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া একটা স্মার্ট সিদ্ধান্ত।
| সুবিধা | সিলভার | গোল্ড | প্লাটিনাম | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|
| সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক | ৫% | ১০% | ২০% | ৩০% |
| জন্মদিন বোনাস | ||||
| লাইভ স্ট্রিমিং | ||||
| ব্যক্তিগত ম্যানেজার | ||||
| দৈনিক উইথড্রয়াল সীমা | ৫০,০০০৳ | ১,৫০,০০০৳ | ৫,০০,০০০৳ | আনলিমিটেড |
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | ||||
| উইথড্রয়াল সময় | ৩০ মিনিট | ১৫ মিনিট | ১০ মিনিট | ৫ মিনিট |
| ২৪/৭ ডেডিকেটেড হটলাইন | ||||
| মাসিক রিলোড বোনাস |
বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে কিছু সদস্যের কথা শুনুন যারা bj app-এর ভিআইপি প্রোগ্রামে আছেন।
প্লাটিনামে উঠার পর থেকে উইথড্রয়াল একদম দ্রুত হয়। আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতাম, এখন ১০ মিনিটের মধ্যে টাকা আসে।
আইপিএলে ডবল পয়েন্ট অফারে মাত্র তিন সপ্তাহে গোল্ড থেকে প্লাটিনামে উঠেছি। ক্যাশব্যাকটা সত্যিই হাতে পাই, মিথ্যা কথা না।
ডায়মন্ড স্তরের ম্যানেজার সার্ভিস অসাধারণ। যেকোনো সমস্যায় সরাসরি ফোন করি, ৫ মিনিটের মধ্যে সমাধান হয়।
গোল্ড স্তরে লাইভ স্ট্রিমিং পেয়েছি। এখন ম্যাচ দেখতে দেখতে বাজি রাখি, আলাদা জায়গায় যেতে হয় না। খুব সুবিধাজনক।
bj app-এ নিবন্ধন করুন, বাজি ধরুন এবং পয়েন্ট জমিয়ে দ্রুত উপরের স্তরে উঠুন। সুবিধা পাওয়া শুরু হয় প্রথম দিন থেকেই।
১৮+ বছরের জন্য। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন।